বিতর্কিত মাসআলা আলেমদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন

বিতর্কিত মাসআলা আলেমদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন

আহলে হাদীস ভাইদের মধ্যে একজনও কি নেই যিনি একটু মাথাটা ঠান্ডা রেখে কথা বলতে পারেন, চিন্তা করতে পারেন।

এইভাবে জনপদের পর জনপদে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে কথিত সহীহ আকিদা বিস্তার করা অসম্ভব। একটা মতাদর্শকে জীবন্ত কবর দেয়ার জন্য মাথামোটা কয়েকজন পাবলিক স্পিকার যথেষ্ট, যাদের না আছে সময়জ্ঞান, না আছে পরিবেশ সচেতনতা।

যদি কথিত সহীহ আকিদার বিস্তার চান তাহলে গণহারে কাফের মুশরিক বলা বন্ধ করতে হবে। বিতর্কিত মাসআলা পাবলিকলি না বলে আলেমদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

বুঝতে ব্যার্থ হই, ইফতারির জন্যসূর্য ডুবা শর্ত যদি হয় তাহলে তাই করেন, আগেভাগে মাগরিবের আজান দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কি উদ্দেশ্য থাকতে পারে? সিলেটে ঝামেলা শুরু হয়েছে কিন্তু মাগরিবের আজান নিয়ে, কারণ এখানে রোজা রাখা ও ইফতার করার ব্যাপারটা জড়িত আছে।

যদি সহীহ আকিদার বিস্তার চান তাহলে কাজ করতে হবে নিরবে আর যদি বিশৃঙ্খলা চান, মুসলমানদের মধ্যে ভাঙনা তৈরি করতে চান, আহলে হাদীস ভার্সাস হানাফী সাম্প্রদায়িক দাঙা চান তাহলে চলমান তৎপরতা অব্যাহত রাখেন। এটা আপনাদের পরবর্তী তৎপরতা থেকে বুঝা যাবে।

একটু চিন্তা করার সময় কি হবে ভাইয়েরা? আপনাদের সকল বক্তব্য ভুল এটা কখনোই বলবনা, কিন্তু আদর্শ প্রচারের ভুল পদ্ধতির জন্য সবই ভুল হিসেবে জনগন বুঝতে বাধ্য হচ্ছে।

আপনি একটা মতাদর্শ মানেন সেজন্য সবাই এইটা মানতে হবে এই চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসুন। এটা অসম্ভব চিন্তা।

লেখক: সাইমুম সাদী, গবেষক ও ইসলামী চিন্তাবিদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

3 × two =