টকশোতে আলেমদের কি নাজেহাল করার জন্য নেয়া হয়?

টকশোতে আলেমদের কি নাজেহাল করার জন্য নেয়া হয়?

ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, বাস্কেটবলসহ যত খেলা আছে, সব খেলাতেই কিন্তু দু-দলের খেলোয়াড়ের সংখ্যা সমান হয়। এমনকি অনুশীলনী ম্যাচেও দু-দলের খেলোয়াড়ের সংখ্যা সমান থাকে।

যেকোনো প্রতিযোগিতার মাঠে প্লেয়িং ফিল্ডের লেভেল হওয়ার কথা বারবার শোনা যায়।

বাংলাদেশের প্রাইভেট টিভি চ্যানেলগুলোতে চলমান ইস্যু নিয়ে যেসব টকশো হচ্ছে সেখানে এর ব্যতিক্রম দেখা যায়।

ইসলামি ঘরানার একজনকে ডেকে এনে তার বিপক্ষে চার- চারজন রাম-বামকে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর এই চারজনের একেকজন -মাশাল্লা- দাঁড়কাকের মতো গলাবাজ। হেন মিথ্যাচার নেই, যা ওদের মুখে খৈয়ের মতো ফোটে না।

এতটুকু হলেও নাহয় মানা যেত। কিন্তু লাজ-শরমের মাথা খেয়ে দেখা যায়, খোদ রেফারি ও আম্পায়ার যখন নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে কোমরে কাছা বেঁধে নেমে পড়ে চারজনের কোর্টে তখন বোঝা যায়, এ আসলে পাতানো খেলার স্থূল মহড়া।
এমন জুচ্চুরি মনে হয় বিশ্বক্রিকেটের চরম ক্রিমিনাল ভারতও তাদের মাঠে করেনি।

কোনো কাটার মাস্টার হুজুরের ছোড়া বিষাক্ত ডেলিভারিতে ইমরান এইচ সরকাররা যখন ক্লিন বোল্ড তখনই সঞ্চালক ডেকে বসে বিরতির ‘নো-কল’।

হাজার হাজার দর্শককে অবাক করে দিয়ে অকল্পনীয় মিথ্যার বেসাতি করে অফসাইডের বাশি বাজাতেও ওরা দ্বিধা করে না।
এভাবেই চলছে আমাদের টকশোগুলো। এভাবেই নিঃসঙ্গ লড়ছেন আমাদের টকশো-বীরেরা। দিন যত যাচ্ছে, তাদের স্কিল তত মজবুত হচ্ছে।
আমাদের মিডিয়া নেই, মাথার ওপর দাদাদের আশির্বাদ নেই, বরং পদে পদে বাগড়া দেওয়ার লোক প্রচুর। তারপরও এগিয়ে যাচ্ছেন আমাদের ভাইয়েরা। তাঁদের প্রত্যেকের জন্যেই অনেক অনেক শুভকামনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × 2 =