মাদ্রাসায় নির্যাতনকারী শিক্ষকরাই ইসলামের বেশি ক্ষতি করছেন

মাদ্রাসায় নির্যাতনকারী শিক্ষকরাই ইসলামের বেশি ক্ষতি করছেন

আবাসিক মাদ্রাসাগুলোয় সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরার ব্যাবস্থা করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ঢাকার পল্লবীতে একটি হাফেজী মাদ্রাসায় নয় বছর বয়সী এক ছাত্রের লাশ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শিক্ষকরা পলাতক রয়েছেন।

এ ধরণের ঘটনা মাঝে মধ্যে পত্রিকায় আসে। শুনা যায় মাদ্রাসা বন্ধ, প্রিন্সিপাল গ্রেফতার। হয়ত বেচারা প্রিন্সিপাল জানেই না কী হয়েছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে। মান সম্মান ইজ্জত যাচ্ছে। ইনভেস্টমেন্ট নষ্ট হচ্ছে।

পল্লবীতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বলছেন শিশুটি আত্মহত্যা করেছে। শিশুর অভিভাবকরা বলছেন তাকে বলাৎকার করে ঘটনা জানাজানির ভয়ে শিক্ষক মেরে ফেলেছেন। আমরা চাই এর সঠিক তদন্ত হোক।

কিন্তু নয় বছরের একটি বাচ্চা কেন আত্মহত্যা করতে যাবে? এই প্রশ্নটা ঘুরে ফিরে চলে আসবেই।

আবাসিক মাদ্রাসা করতে হলে ন্যুনতম কিছু শর্ত মেনে চলা উচিত। এই ব্যাপারটা যারা মাদ্রাসার সাথে সংশ্লিষ্ট তাদেরকেই নির্ধারণ হবে। এটা করতে হবে নিজেদের স্বার্থেই।

কোনোও মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতনের নিউজ যখন জাতীয় পত্রিকায় চলে আসে, এই অভিযোগে মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর পত্রিকায় ছাপা হয়, তখন অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যায় আমাদের।

হাজার হাজার ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক মিলে ইসলামের যতটুকু ক্ষতি করতে পারে না, তার চেয়ে বেশী ক্ষতি করে ফেলেন সেই মাদ্রাসা শিক্ষক যিনি মাদ্রাসায় আকাম-কুকামের সাথে জড়িত হয়ে পড়েন।

এসব ঘটনাকে ইহুদী নাসাদের ষড়যন্ত্র না বলে ভবিষ্যতে যেন এসবের পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার ব্যাবস্থা করা উচিত।

অন্তত যেখানে আবাসিক মাদ্রাসা রয়েছে সেখানে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা দ্বারা রেকর্ড রাখা জরুরী।

মাদ্রাসা পরিচালনার সাথে সংশ্লিষ্ট উলামায়ে কেরামকে বিষয়টা বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × 1 =