মাদকের বিস্তার রোধে ভূমিকা রাখতে পারে দ্বীনি শিক্ষা

মাদকের বিস্তার রোধে ভূমিকা রাখতে পারে দ্বীনি শিক্ষা

মাদকের আগ্রাসী থাবা বন্ধ হচ্ছে না। মাদক আমদানি, সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিনিয়তই কৌশল পাল্টাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। নিত্যনতুন কৌশলে পাচার হওয়া মাদক ধরতে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

মাদক আগ্রাসন দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন করে তুলছে। ইয়াবাসহ মাদক ছড়িয়ে পড়ছে শহর থেকে দেশের প্রায় প্রতিটি এলাকায়। তরুণ-যুবক, বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী এবং অভিজাত তরুণ-তরুণীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মরণনেশা ইয়াবায় আসক্ত। এ নেশার অর্থ জোগাতে তারা জড়িয়ে পড়ছে নানা অপরাধে। ইয়াবা ঘিরে দেশজুড়ে পরিবারগুলোয় একরকম অশান্তি বিরাজ করছে।

ইতিমধ্যে ইয়াবাকে ‘ক’ শ্রেণির মাদক হিসেবে চিহ্নিত করে এ মাদকের পাচার, ব্যবসা ও বিপণনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে প্রচলিত আইন সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আশা করা হচ্ছে আইনের সংশোধনীটি পাস হলে তা মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভয় ঢুকাতে সক্ষম হবে। ইয়াবা রোধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান এই ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে ভূমিকা রাখবে আমরা এমনটিই আশা করতে চাই। তবে ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে দ্বীনি শিক্ষা।

ইয়াবার ভয়াবহতা রোধে সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আন্তরিকভাবে কাজ করুক, মাদকাসক্তিমুক্ত, সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ ফিরে আসুক।

অভিভাবকগণ শুনুন : শিশু ও যুবকদের প্রতি মনোযোগ দিন। তাদেরকে নিরাপদ রাখার জন্য প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে দ্বীনি শিক্ষা দিন।

লেখক: মুফতী ফয়জুল্লাহ, শিক্ষক, লালবাগ মাদ্রাসা, ঢাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five + 20 =